Skip to content
  সোমবার ৮ জুন ২০২৬
সাম্প্রতিক খবর
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • অর্থনীতি
  • খেলা
  • বিনোদন
  • সারাদেশ
  • স্বাস্থ্য
  • সাহিত্য
    • কবিতা
সাম্প্রতিক খবর
সাম্প্রতিক খবর
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • অর্থনীতি
  • খেলা
  • বিনোদন
  • সারাদেশ
  • স্বাস্থ্য
  • সাহিত্য
    • কবিতা
সাম্প্রতিক খবর
  জাতীয়  উচ্ছেদের বুলডোজার বনাম জীবিকার আর্তনাদ : পুনর্বাসন ও হকার আইনের দাবিতে সংগ্রামী হকার
জাতীয়

উচ্ছেদের বুলডোজার বনাম জীবিকার আর্তনাদ : পুনর্বাসন ও হকার আইনের দাবিতে সংগ্রামী হকার

সেকেন্দার হায়াতসেকেন্দার হায়াত—April 21, 20260
FacebookTwitterPinterestLinkedInTumblrRedditVKWhatsAppEmail

ঢাকা-একটি শহর, যেখানে স্বপ্ন আর সংগ্রাম পাশাপাশি হাঁটে। এই শহর যেমন আকাশচুম্বী অট্টালিকার, তেমনি এটি হাজারো প্রান্তিক মানুষের জীবিকার শেষ আশ্রয়স্থল। এই শহরের ফুটপাত, রাস্তার মোড়, বাজারের প্রবেশপথ-সবখানেই ছড়িয়ে আছে এক অদৃশ্য অর্থনীতির প্রাণচাঞ্চল্য, যার নাম হকারি। কিন্তু আজ সেই হকারদের ওপর নেমে এসেছে উচ্ছেদের নির্মম ছায়া। “পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ নয়”-এই সেøাগান এখন শুধু একটি দাবি নয়, এটি হয়ে উঠেছে বেঁচে থাকার আর্তনাদ।

একটি গল্প-হকার রহিমের জীবন থেকে
রহিম (ছদ্মনাম), বয়স প্রায় ৪৮। গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জে। বহু বছর আগে কাজের সন্ধানে ঢাকায় এসেছিলেন। প্রথমে রিকশা চালাতেন, পরে কিছু পুঁজি জোগাড় করে ফুটপাতে ছোট একটি দোকান বসান-মোজা, টিস্যু, ছোটখাটো প্রসাধনী বিক্রি করতেন। দিনে যা আয় হতো, তা দিয়েই স্ত্রী ও দুই সন্তানের সংসার চলতো। ছেলে পড়ে নবম শ্রেণিতে, মেয়েটা পঞ্চম শ্রেণিতে। একদিন হঠাৎ করে উচ্ছেদ অভিযান। কোনো পূর্ব ঘোষণা নেই। সকালবেলা দোকান সাজানোর আগেই পুলিশ ও সিটি কর্পোরেশনের লোকজন এসে সব ভেঙে ফেলে। তার চোখের সামনে তার জীবনের একমাত্র সম্বলটুকু ট্রাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। সে কাঁদছিল, অনুরোধ করছিল—“স্যার, এগুলো নিয়ে গেলে আমি বাঁচবো কীভাবে?” কিন্তু তার কান্না কারো হৃদয় ছুঁতে পারেনি। সেদিন বাড়ি ফিরে তার ছেলে বলেছিল, “বাবা, আমি কি আর স্কুলে যাবো না?” রহিম কোনো উত্তর দিতে পারেনি। তার চোখে শুধু জল ছিল, আর বুকভরা এক অসহায় নীরবতা। রহিম একা নয়। তার মতো হাজার হাজার হকার আজ একই বাস্তবতার মুখোমুখি।

হকাররা-অপরাধী নাকি অর্থনীতির চালিকাশক্তি?
প্রশাসনের কাছে হকাররা প্রায়ই ‘অবৈধ দখলদার’। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তারা এই শহরের অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তারা স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে কম দামে পণ্য পৌঁছে দেয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এবং শহরের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ঢাকার ফুটপাত শুধু হাঁটার জায়গা নয়-এটি বহু মানুষের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এখানে প্রতিটি দোকান মানে একটি পরিবার, একটি সংগ্রামের গল্প, একটি স্বপ্ন।

উচ্ছেদ অভিযান-সমাধান নাকি নতুন সংকট?
সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা শহরে যে উচ্ছেদ অভিযান চলছে, তা অনেকাংশে একপাক্ষিক ও অমানবিক। কোনো পুনর্বাসনের পরিকল্পনা ছাড়াই হকারদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে। এতে করে তারা হঠাৎ করেই বেকার হয়ে পড়ছে, তাদের পরিবারগুলো পড়ছে চরম আর্থিক সংকটে। উচ্ছেদ মানে শুধু একটি দোকান ভেঙে ফেলা নয়—এটি একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ ভেঙে দেওয়া। একটি শিশুর শিক্ষা বন্ধ হয়ে যাওয়া, একটি অসুস্থ মায়ের ওষুধ বন্ধ হয়ে যাওয়া, একটি পরিবারের খাবারের থালা খালি হয়ে যাওয়া।

আইনহীনতা-সমস্যার মূল
বাংলাদেশে এখনো হকারদের জন্য কোনো সুস্পষ্ট আইন বা নীতিমালা নেই। ফলে প্রশাসন যখন ইচ্ছা উচ্ছেদ করে, আবার কখনো তাদের থাকতে দেয়। এই অনিশ্চয়তা হকারদের জীবনে স্থায়ী নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করেছে।
এই আইনহীনতার সুযোগে তৈরি হয়েছে চাঁদাবাজির এক ভয়াবহ চক্র। অনেক হকার অভিযোগ করেন, প্রতিদিন বা সাপ্তাহিক ভিত্তিতে তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়। না দিলে দোকান বসাতে দেওয়া হয় না, কিংবা উচ্ছেদের হুমকি দেওয়া হয়।

More stories

লালমনিরহাটে হাসিনার পদত্যাগ চাইলেন ফখরুল

May 20, 2023

গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নে মন্টু ঘোষ সভাপতি এবং সাদেকুর রহমান শামীম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

November 18, 2022

জনগণের হাতে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে বিএনপির ৩১ দফা

July 13, 2023

মেট্রো রেলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

December 28, 2022


হকার্স ইউনিয়নের ধারাবাহিক আন্দোলন :
এই অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করে আসছে। আমরা বারবার বলেছি-“আমাদের উচ্ছেদ করবেন না, আমাদের বাঁচার অধিকার দিন।”

হকার্স ইউনিয়নের দাবিগুলো খুবই স্পষ্ট (১০ দফা ) :
১/ পুনর্বাসন ছাড়া কোনো উচ্ছেদ নয়।
২/ হকারদের জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা।
৩/ একটি পূর্ণাঙ্গ হকার আইন প্রণয়ন করা।
৪/ সব ধরনের চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধ।
৫/ সিটি কর্পোরেশন থেকে হকারদের আইডি কার্ড প্রদান ও সঠিক তালিকা প্রণয়ন।
৬/ জাতীয় বাজেটে হকারদের জন্য বরাদ্দ রাখা।
৭/ হকারদের ট্যাক্সের অন্তর্ভূক্ত করা।
৮/ হকারদের উপর দমন-পীড়ন-মামলা-হামলা বন্ধ করা।
৯/ দীর্ঘ মেয়াদি ও স্বল্প মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ।
১০/ অবৈধ দখলে থাকা সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করে হকারদের পুনর্বাসন করা।

এই দাবিতে হকার্স ইউনিয়ন অসংখ্যবার রাস্তায় নেমেছে। কখনো মানববন্ধন,সভা, সমাবেশ,ধর্না, অবস্থান,অনশন কখনো বিক্ষোভ মিছিল, ঘেরাও স্মারকলিপি প্রদান-সব ধরনের গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগঠন করেছে। হকার ও নেতৃবৃন্দ হামলা, গ্রেপ্তার, মামলা মোকাবিলা করেছে (চলমান মামলা ৬ টি)। তবুও তারা পিছিয়ে যায়নি।
কারণ হকাররা জানে-এই লড়াই শুধু তাদের নয়, এটি তাদের সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য।

আরেকটি গল্প-হকার শাহানার সংগ্রাম :
শাহানা (ছদ্মনাম), একজন নারী হকার। স্বামী অসুস্থ, সংসারের পুরো দায়িত্ব তার কাঁধে। ফুটপাতে বসে চুড়ি, ক্লিপ, ছোটখাটো প্রসাধনীবিক্রি করতেন। প্রতিদিন ৪০০-৫০০ টাকা আয় হতো, যা দিয়ে সংসার কোনোভাবে চলতো।
উচ্ছেদের দিন তার সব মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়। কয়েকদিন সে কিছুই করতে পারেনি। পরে বাধ্য হয়ে বাসাবাড়িতে কাজ নেওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু সেখানে আয় কম, কাজ বেশি, আর সম্মানও কম।
একদিন সে বলেছিল, “ফুটপাতে বসে বিক্রি করলেও আমি নিজের মতো ছিলাম। এখন মনে হয় আমি বেঁচে আছি, কিন্তু নিজের মতো না।” এই একটি বাক্যই বুঝিয়ে দেয়-হকারি শুধু পেশা নয়, এটি অনেকের আত্মসম্মানের সঙ্গে জড়িত।

আন্তর্জাতিক উদাহরণ-সমাধান আছে
বিশ্বের অনেক দেশেই হকারদের জন্য কার্যকর নীতিমালা রয়েছে। ২০১৪ সালের স্ট্রিট ভেন্ডরস (লাইভলিহুড সুরক্ষা এবং হকারদের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ) আইন অনুযায়ী, ভারতে হকারদের জীবিকার অধিকার সংরক্ষিত এবং এটি কেন্দ্রীয়ভাবে স্বীকৃত [২, ১১]। এই আইন অনুযায়ী, টাউন ভেন্ডিং কমিটির (ঞঠঈ) মাধ্যমে হকারদের নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান করা হয় [৭, ১১]। নিয়মানুযায়ী ফুটপাতের নির্দিষ্ট অংশে, সাধারণত এক-তৃতীয়াংশ জায়গা ব্যবহার করে হকাররা ব্যবসা করতে পারেন [৩, ৮]। [১, ২, ৩]

ভারতের হকার আইনের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
নিবন্ধকরণ ও লাইসেন্স : প্রতিটি হকারকে টাউন ভেন্ডিং কমিটির মাধ্যমে নিবন্ধিত হয়ে পরিচয়পত্র (ঠবহফড়ৎ ওউ) পেতে হবে [২, ১১]।
পুর্নবাসন নীতি : হকারদের উচ্ছেদ করার আগে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং উচ্ছেদের প্রয়োজন হলে ৩০ দিন আগে নোটিশ দিতে হবে [৭, ১২]।
নিয়ন্ত্রণ : আইন অনুযায়ী, শহরের নির্দিষ্ট স্থানে হকারদের স্থান দেওয়া এবং ফুটপাত চলাচলযোগ্য রাখার দায়িত্ব স্থানীয় প্রশাসনের [১১]।হকারদের অধিকার : বৈধ হকারদের জোর করে উচ্ছেদ করা যাবে না, এবং তাদের ব্যবসা করার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে [১, ৮]। [১]

থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়ায় নির্দিষ্ট হকার জোন তৈরি করা হয়েছে, যেখানে শৃঙ্খলার সঙ্গে ব্যবসা করা যায়।
বাংলাদেশেও এই ধরনের একটি বাস্তবসম্মত মডেল গ্রহণ করা সম্ভব। পুনর্বাসন-সমস্যার টেকসই সমাধান
পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ কখনোই সমাধান হতে পারে না। বরং এটি সমস্যাকে আরও জটিল করে তোলে। তাই কিছু বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে:
নির্দিষ্ট হকার জোন তৈরি, বহুতল হকার মার্কেট নির্মাণ, সময়ভিত্তিক ব্যবসার অনুমতি, হকারদের নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান। এতে করে শহরের শৃঙ্খলা যেমন বজায় থাকবে, তেমনি হকারদের জীবিকাও সুরক্ষিত থাকবে।

হকার আইন-সময়ের দাবি
একটি পূর্ণাঙ্গ হকার আইন এখন সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন।
এই আইনে থাকতে হবে-
হকারদের বৈধ স্বীকৃতি
লাইসেন্স ও নিবন্ধন ব্যবস্থা
নির্দিষ্ট ব্যবসা এলাকা
স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা মান
সামাজিক সুরক্ষা (বীমা, চিকিৎসা সুবিধা)
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা
এই আইন শুধু হকারদের জন্য নয়, বরং পুরো শহরের জন্য একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করবে।

মানবিক উন্নয়নের প্রশ্ন
ঢাকা শহর উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে—মেট্রোরেল, ফ্লাইওভার, আধুনিক অবকাঠামো। কিন্তু এই উন্নয়ন যদি গরিব মানুষের জীবিকা ধ্বংসের বিনিময়ে হয়, তাহলে তা কোনোভাবেই টেকসই নয়।
একটি শহরের সৌন্দর্য শুধু তার স্থাপত্যে নয়, বরং তার মানুষের জীবনে। যে শহরে একজন শ্রমজীবী মানুষ নিরাপদে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে না, সেই শহর কখনোই সত্যিকার অর্থে উন্নত হতে পারে না।

উপসংহার
রহিম, শাহানা-এরা কোনো গল্পের চরিত্র নয়, এরা আমাদের সমাজের বাস্তব মানুষ। তাদের চোখের জল, তাদের কষ্ট, তাদের সংগ্রাম-সবই আমাদেরই অংশ।
আজ যখন আমরা উন্নয়নের কথা বলি, তখন আমাদের ভাবতে হবে-এই উন্নয়ন কার জন্য? যদি এই উন্নয়ন হাজারো হকারের জীবিকা কেড়ে নেয়, তাহলে তা কেমন উন্নয়ন?
তাই এখনই সময়-
উচ্ছেদ নয়, পুনর্বাসন
বঞ্চনা নয়, অধিকার
অবহেলা নয়, স্বীকৃতি
হকার্স ইউনিয়নের ধারাবাহিক আন্দোলন প্রমাণ করেছে-অধিকার কখনো দেওয়া হয় না, তা আদায় করে নিতে হয়। কিন্তু একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের উচিত তার নাগরিকদের এই লড়াইয়ে বাধ্য না করা।
আমরা চাই একটি মানবিক ঢাকা-যেখানে উন্নয়ন ও মানবতা পাশাপাশি চলবে। যেখানে ফুটপাত শুধু হাঁটার জায়গা নয়, বরং জীবনের গল্প বলার এক অনন্য মঞ্চ হবে।
“পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ নয়”-এই দাবি শুধু হকারদের নয়, এটি ন্যায়বিচারের দাবি, মানবাধিকারের দাবি, বেঁচে থাকার দাবি। এখন দেখার বিষয়-রাষ্ট্র এই আহ্বানে সাড়া দেয় কি না।

খবরহকার
FacebookTwitterPinterestLinkedInTumblrRedditVKWhatsAppEmail

সেকেন্দার হায়াত

মার্জার নাকি ‘ইঁদুরের রুটি’—ব্যাংক রেজল্যুশনে কার স্বার্থ সুরক্ষিত?
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি দুইজন পিএইচডি শিক্ষার্থী খুন
Related posts
  • Related posts
  • More from author
জাতীয়

হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের স্থায়ী সমাধান দাবি করেছে কৃষক ও ক্ষেতমজুর সংগ্রাম পরিষদ

May 2, 20260
জাতীয়

আমেরিকার সাথে বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে মধুবাগে সিপিবির পথসভা

April 2, 20260
জাতীয়

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থী কল্লোল বনিক

January 14, 20260
Load more
Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Read also
অর্থনীতি

টেকসই ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আইন বিভাগের রূপান্তরমূলক ভূমিকা

June 8, 20260
কলাম

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি কেন বাংলাদেশে কার্যকর নয়

June 6, 20260
কলাম

ফ্রাংফুট ঘরানা- মার্ক্সবাদ বিরোধী একটি প্লাটফর্ম

May 26, 20260
International

Why Cuba won’t be another Venezuela

May 25, 20260
আন্তর্জাতিক

কিউবা কেন আরেকটি ভেনিজুয়েলা হবে না

May 25, 20260
অর্থনীতি

ঋণ আদায়ে এখন সবচেয়ে বড় শক্তি: সঠিক ডকুমেন্টেশন

May 15, 20260
Load more

সম্প্রতি প্রকাশিত

  • টেকসই ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আইন বিভাগের রূপান্তরমূলক ভূমিকা
  • বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি কেন বাংলাদেশে কার্যকর নয়
  • ফ্রাংফুট ঘরানা- মার্ক্সবাদ বিরোধী একটি প্লাটফর্ম
  • Why Cuba won’t be another Venezuela
  • কিউবা কেন আরেকটি ভেনিজুয়েলা হবে না

    # বিষয়

    সম্প্রতিখবরমূললিডলিড১সিপিবিনির্বাচনব্রিকসমে দিবসকাতার বিশ্বকাপবাম জোটIran Israel conflictইরান ইসরাইল যুদ্ধব্যাংকডোনাল্ড ট্রাম্পমেট্রোরেলচীনবিএনপিরাজনীতিকোটা আন্দোলন
    স্বত্ব: © সাম্প্রতিক
    • সাম্প্রতিক
    • নীতিমালা
    • যোগাযোগ
    • সাবস্ক্রাইব ইউটিউব চেনেল
    • ডাউনলোড এন্ড্রয়েড অ্যাপ